ধন্যাত্মক দ্বিত্ব শব্দের উদাহরণ কোনটি?
- 1ঝাল-টাল
- 2ঝমঝম
- কেক-টেকCorrect Answer
- 4নরম-সরম
প্রাকৃতিক বা আনুমানিক ধ্বনির অনুকরণে তৈরি শব্দদ্বৈতকে ধন্যাত্মক দ্বিত্ব বলে (যেমন: ঝমঝম)।
SSC 2024 Bangla 2nd Paper Board Question Set (Sylhet Board)
ধন্যাত্মক দ্বিত্ব শব্দের উদাহরণ কোনটি?
প্রাকৃতিক বা আনুমানিক ধ্বনির অনুকরণে তৈরি শব্দদ্বৈতকে ধন্যাত্মক দ্বিত্ব বলে (যেমন: ঝমঝম)।
পূরণবাচক শব্দ 'অশীতিম'-এর অপর নাম কী?
৮০তম ক্রম নির্দেশ করতে সংস্কৃত নিয়মে 'অশীতিম' বা 'অশীতিতম' বলা হয়।
নিচের কোন বাক্যটি ভাববাচ্যের উদাহরণ?
ক্রিয়ার ভাবই প্রধান হয়ে উঠলে তাকে ভাববাচ্য বলে (যেমন: এবার বাঁশিটি বাজানো হোক / চিঠিটা পড়া হয়েছে)।
যে কারকে ক্রিয়ার উৎস নির্দেশ করা হয়, তাকে কোন কারক বলে?
যা থেকে কোনো কিছু উৎপন্ন, গৃহীত বা শুরু হয় তাকে অপাদান কারক বলে।
কোন বাক্যটি অনুজ্ঞাবাচক?
প্রার্থনা বা আশীর্বাদ প্রকাশ করায় ‘তার মঙ্গল হোক’ অনুজ্ঞাবাচক বাক্য।
‘তুমি চেষ্টা না করায় ব্যর্থ হয়েছ।’—এটি কোন প্রকারের বাক্য?
একটি উদ্দেশ্য ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া বিশিষ্ট বাক্য হলো সরল বাক্য।
কোন বাক্যটি নিত্য অতীত কালের উদাহরণ?
অতীতের নিয়মিত অভ্যাস প্রকাশ করায় এটি নিত্যবৃত্ত অতীত কাল।
শব্দের শেষে ই-কার ও উ-কার থাকলে এ-বিভক্তির রূপভেদ হয়—
ই-কারান্ত ও উ-কারান্ত শব্দের শেষে সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে ‘-তে’ বা ‘-য়ে’ যুক্ত হয়।
মানী পদের বহুবচন করার সময়ে নিচের কোন লগ্নক যোগ করা হয়?
সম্মানীয় বা মান্য ব্যক্তিবর্গের বহুবচনে ‘-বর্গ’, ‘-বৃন্দ’, ‘-গণ’ বসে।
পদের লগ্নক কয় ধরনের?
বাক্যের মধ্যে বিশেষ কোনো ভূমিকা পালন না করলেও ‘কি’, ‘যে’, ‘না’, ‘তো’ ইত্যাদি পদালু ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করে। যেমন: ক. কি; মাহিম কি আসবে?; খ. যে; খুব যে বলেছিলি পারবে!; ইত্যাদি। লগ্নক চার প্রকার।
কোন বাক্যটি বিরোধ যোজকের উদাহরণ?
বিপরীত ফলাফল নির্দেশ করায় ‘তবু/কিন্তু’ বিরোধ যোজক।
কোন বাক্যে ক্রিয়াজাত অনুসর্গ রয়েছে?
অসমাপিকা ক্রিয়া থেকে উৎপন্ন অনুসর্গ ক্রিয়াজাত অনুসর্গ (দিয়ে ➔ দিয়া হতে)।
পদানু ক্রিয়াবিশেষণের উদাহরণ কোনটি?
বাক্যালংকার বা বিশেষ জোর দিতে ব্যবহৃত অব্যয় পদানু ক্রিয়াবিশেষণ।
‘চলন্ত ট্রেন।’— এ বাক্যের বিশেষণ পদটি কোন শ্রেণির?
বিশেষ্যের চলমান অবস্থা নির্দেশ করায় এটি অবস্থাবাচক বিশেষণ।
‘সমষ্টি’ বিশেষ্য বোঝাতে নিচের কোন শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে?
একত্রিত দল বা ব্যক্তিসমষ্টি প্রকাশ করায় ‘জনতা’ একটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য।
নিজের কোনটি থেকে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে?
পূর্ব ভারতীয় প্রাকৃত ও মাগধী অপভ্রংশ হতে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।
প্রত্যক্ষ উক্তিতে চিরন্তন সত্যের উপস্থিতি থাকলে পরোক্ষ উক্তিতে কীসের পরিবর্তন হয় না?
চিরন্তন সত্য বা ঐতিহাসিক বক্তব্য থাকলে পরোক্ষ উক্তিতে ক্রিয়ার কালের কোনো পরিবর্তন হয় না।
লেখার সময় কোনো অংশ বাদ দিতে চাইলে কোন বিরামচিহ্নের ব্যবহার করা হয়?
উদ্ধৃতিতে কোনো অংশ উহ্য বা বাদ রাখতে ত্রিবিন্দু (...) বসে।
নিচের কোন বাক্যে ‘মাথা’ শব্দটি লক্ষ্যার্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
গ্রামের নেতা বা প্রধান ব্যক্তি অর্থে ‘মাথা’ শব্দটি লক্ষ্যার্থে বা বিশিষ্টার্থে ব্যবহৃত।
‘সুযোগ-সন্ধানী’ অর্থ কোন বাগধারার মধ্যে রয়েছে?
‘দুধের মাছি’ ও ‘তীর্থের কাক’ সুযোগসন্ধানী অর্থ প্রকাশ করে।
‘নন্দিনী’-এর সঠিক প্রতিশব্দ কোনটি?
‘তনয়া’, ‘দুহিতা’, ‘কন্যা’, ‘নন্দিনী’ হলো মেয়ের সমার্থক প্রতিশব্দ।
‘ভূত’-এর বিপরীত শব্দ হলো—
‘ভূত’ (অতীত) এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো ‘ভবিষ্যৎ’।
নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ কোনটি?
বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি (নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি)।
কোন শতকের সূচনা নাগাদ চলিত রীতির নতুন নাম হয় প্রমিত রীতি?
বিংশ শতাব্দীতে চলিত ভাষা প্রমিত সাহিত্যরীতির মর্যাদা পায়।
বাংলা ভাষায় কোন স্বরবর্ণটির সংক্ষিপ্ত রূপ নেই?
‘অ’ বর্ণের কোনো নিজস্ব সংক্ষিপ্ত কারচিহ্ন নেই।
নিচের কোন শব্দটিতে অর্ধস্বরধ্বনি রয়েছে?
দ্বিস্বরধ্বনির প্রথম স্বরটি পূর্ণ উচ্চারিত হয় আর দ্বিতীয় স্বরটি উচ্চারিত হয় হসন্ত বা আধাআধি। এরকম হসন্ত উচ্চারিত স্বরকে বলা হয় অর্ধস্বরধ্বনি। বাংলায় অর্ধস্বরধ্বনি চারটি। এগুলো হলো—ই, উ, এ (অ্যা) এবং ও। (প্রশ্নে সবগুলোই সঠিক)।
কোনটি পার্শ্বিক ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ?
জিবের দুই পাশ দিয়ে বায়ু নির্গত হয়ে উচ্চারিত হয় বলে ‘ল’ পার্শ্বিক ব্যঞ্জনধ্বনি।
‘অভাব’ অর্থ প্রকাশ করেছে কোন উপসর্গযুক্ত শব্দটি?
হাতে ভাতের অভাব বা ভাতের অভাব অর্থে ‘হাভাতে’ শব্দটি গঠিত।
‘নৈপুণ্য’ অর্থে প্রত্যয়বাচক শব্দ কোনটি?
নৌকা চালনায় দক্ষ অর্থে ‘নেয়ে’ (নাও + ইয়া) প্রত্যয় সাধিত শব্দ।
পারস্পরিক ক্রিয়ার কোনো অবস্থা তৈরি হলে কোন বহুব্রীহি হয়?
ক্রিয়ার পারস্পরিক লড়াই বা ভাব বোঝাতে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়।
Take this exam in timed Exam Mode with instant scoring or self-paced Practice Mode.